Sunday, 25 January 2015

পুঁইপাতায় কাচকি ভাজি

উপকরণ :
কাচকি মাছ ২৫০ গ্রাম, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, সাদা সরিষা বাটা ১ চা-চামচ, মরিচ ও ধনের গুঁড়া ১ চা-চামচ, হলুদের গুঁড়া পরিমাণমতো, রসুন বাটা ১ চা-চামচ, জিরার গুঁড়া ১ চা-চামচ, বড় পুঁইপাতা ১০-১২টি, টুথপিক প্রয়োজনমতো, লবণ ও কাঁচা মরিচের কুচি স্বাদমতো, টমেটো কুচি ১টি ও ভাজার জন্য তেল ১ কাপ।

ভাজার মিশ্রণ :
কর্নফ্লাওয়ার ২ টেবিল-চামচ, ডিম ১টি, চালের গুঁড়া ৩ টেবিল-চামচ, লবণ ও গোলমরিচের গুঁড়া স্বাদমতো। সব মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করতে হবে।

প্রণালি :
মাছ পরিষ্কার করে তেল ছাড়া অন্য উপকরণ সব এতে মাখিয়ে ২-৩ মিনিট রাখুন। এবার পুঁইপাতার ভেতর অল্প অল্প মাখানো মাছ ভালো করে ভরে পাতা ভাঁজ করে টুথপিক দিয়ে আটকান। তেল গরম করে ভাজার মিশ্রণে ডুবিয়ে পাতায় আটকানো মাছ মচমচে করে ভেজে তুলুন।

Sunday, 28 December 2014

মাটন কাঠি কাবাব



যা লাগবে : 
হাঁড় ছাড়া মাংস এক কেজি, কাবাব মশলা এক চা চামচ, পেঁয়াজ বাটা আধা কাপ, আদা-রসুন বাটা দুই টেবিল চামচ, পেঁপে বাটা এক টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ বাটা এক চা চামচ, গরম মশলা এক চা চামচ, শাহী জিরা বাটা আধা চা চামচ, গাজর ২০০ গ্রাম, ক্যাপসিকাম ২০০ গ্রাম, টমেটো ২০০ গ্রাম, পেঁয়াজ টুকরা ১০-১৫টি, জায়ফল-জয়ত্রী আধা চা চামচ, টকদই আধা কাপ, টোস্ট বিস্কুট গুঁড়া দুই কাপ, তেল ভাজার জন্য, লবণ স্বাদমতো, কাঠি ১২টি, বেসন এক টেবিল চামচ, ডিম দুইটি

যেভাবে করবেন : 
প্রথমে মাংস ভালো করে ধুয়ে ছোট ছোট টুকরা করে নিন। ডিম ফেটে টোস্টের গুঁড়া করে রাখুন, গাজর গোল গোল করে কেটে পেঁয়াজ ক্যাপসিকাম, টমেটো পিস করে আলাদা করে রাখুন।
দ্বিতীয় : একটি পাত্রে মাংস সামান্য তেল লবণ ও সব উপকরণ একসঙ্গে ভালোভাবে মেখে ৩০ মিনিট মেরিনেট করে রাখুন। একটি কাঠিতে এক পিস মাংস, এক পিস গাজর, এক পিস মাংস, এক পিস পেঁয়াজ, এক পিস মাংস, একপিস ক্যাপিসিকাম, টেমেটো ঢুকিয়ে কাঠিতে ভরে টোস্টের গুঁড়া ভালো করে মেখে ফেটা ডিমে ডুবিয়ে গরম ডুবো তেলে বাদামি করে ভেজে তেল কষিয়ে চাটনি বা সস দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন মাটন কাঠি কাবাব।

মেথি পরোটা



উপকরণ :

ময়দা ২ কাপ,চিনি ১ চা চামচ,তেল ১ টেবিল চামচ,লবণপরিমাণ মতো,ঘি ১ চা চামচ,বেকিং আধা চা চামচ,তেল ও ঘি মিশিয়ে ভাজার জন্য,পানি পরিমাণমতো,মেথি ১ টেবিল চামচ,ধনিয়া পাতা কুচি ইচ্ছামত।

প্রস্তুত প্রণালি :
১.ময়দা একটি পাত্রে নিতে হবে। মেথি ৪/৫ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। একটি ছাঁকনিতে পানি ঝরিয়ে পাটায় মিহি করে বেটে নিতে হবে।

২.তারপর ময়দার মধ্যে লবণ, চিনি, তেল, ঘি, মেথি, ধনিয়া পাতা ও পানি দিয়ে ভালো করে মেখে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে ২/৩ ঘণ্টা।

৩.আবার গোলা ময়দা ভালো করে মেখে তারপর পিঁড়ির ওপর ময়দা ছিটিয়ে গোল করে আধা ইঞ্চির মতো রুটি বেলে ফ্রাইপ্যানে ঘি ৪.মেশানো তেল দিয়ে ভালোভাবে ভেজে নিতে হবে।

হীরা কাবাব


উপকরণ:
সেদ্ধ করা কলিজা ৫০০ গ্রাম, আলু সেদ্ধ (মাঝারি) ২টি, গাজর সেদ্ধ ২টি, মরিচের গুঁড়া ১ চা চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, পেঁয়াজ বাটা ১ টেবিল চামচ, গরম মসলা গুঁড়া ১ চা চামচ, (দারচিনি, এলাচ, লবঙ্গ, গোলমরিচ, জয়ত্রী পরিমাণমতো নিয়ে টেলে গুঁড়া করে নিতে হবে)। ডিম ১টি, টমেটো সস ২ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদ মতো, তেল প্রয়োজন মতো, সাসলিকের কাঠি ৭-৮টি।

প্রণালী:
কলিজা, আলু ও গাজর চারকোনা করে টুকরো করে নিতে হবে। তেল ও টমেটো সস ছাড়া বাকি সব উপকরণ দিয়ে মেখে ৩০ মিনিট রাখতে হবে।ফ্রাইপ্যানে তেল দিয়ে সাসলিকের কাঠিতে পরপর কলিজা আলু ও গাজর গেঁথে ছেঁকা তেলে ভেজে বাকি মসলা কষে টমেটো সসে মেখে হীরা কাবাব পরিবেশন করুন।

কলিজা ডাল



উপকরণ:
পাঁচমিশালি ডাল ১ কাপ, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, কলিজা আধা কেজি, আদা বাটা ১ টেবিল-চামচ, টক দই সিকি কাপ, রসুন বাটা ১ টেবিল-চামচ, লবণ স্বাদমতো, জিরা বাটা ১ চা-চামচ, চিনি স্বাদমতো, শুকনা মরিচ গুঁড়ো ১ টেবিল-চামচ, তেল আধা কাপ, হলুদ গুঁড়ো আধা চা-চামচ, শুকনা মরিচ গোটা ২টি, গরম মসলা গুঁড়ো ১ চা-চামচ, মেথি, জিরা গোটা ১ চা-চামচ, মাখন ২ টেবিল-চামচ।

প্রণালি:
ডালভালো করে ধুয়ে সেদ্ধ করে নিতে হবে। তেলে পেঁয়াজ দিয়ে তা হালকা লাল হলে সব মসলা দিয়ে কষিয়ে কলিজা দিতে হবে। কলিজা দুবার কষাতে হবে। এবার ডাল দিয়ে পানি দিতে হবে। মাখা মাখা হয়ে এলে নামিয়ে নিতে হবে। এবার অন্য একটি প্যানে মাখন ও শুকনা মরিচ দিয়ে লাল হলে জিরা-মেথি ফোড়ন দিয়ে প্যানের ওপরে ঢেলে দিতে হবে এবং ছ্যাত করে শব্দ হতে হবে।

ফুলকপির পায়েস



উপকরণ :
বড় ফুলকপি ১টি, দুধ ২ লিটার, আধা ভাঙা পোলাওয়ের চাল আধা কাপ, কনডেন্সড মিল্ক এক টিন; নতুন খেজুরের গুড় এক কাপ, এলাচ গুঁড়া এক চা-চামচ; দারুচিনি গুঁড়া আধা চা-চামচ; পেস্তা ও আমন্ড বাদাম কুচি ৪ টেবিল চামচ, কিশমিশ ২ টেবিল চামচ, হাতে বানানো মাওয়া গুঁড়া এক কাপ।

প্রণালি :
চাল এক লিটার দুধ দিয়ে সেদ্ধ করতে হবে। ফুলকপির ফুলগুলো ছোট করে কেটে আধা লিটার দুধ দিয়ে সেদ্ধ করে নিতে হবে। চালের সঙ্গে মিশিয়ে গুড়, বাকি আধা লিটার দুধ, দারুচিনি, এলাচ গুঁড়া দিয়ে রান্না করতে হবে। ঘন হয়ে এলে কনডেন্সড মিল্ক, হাতে বানানো অর্ধেকটা মাওয়া, কিশমিশ, পেস্তা, আমন্ড কুচি দিতে হবে। ফুলে উঠলে চুলা বন্ধ করে দিতে হবে। পরিবেশন পাত্রে ঢেলে মাওয়া গুঁড়া, পেস্তা বাদাম দিয়ে সাজিয়ে ঠান্ডা হলে পরিবেশন করতে হবে।

হাতে বানানো মাওয়া
উপকরণ : গুঁড়া দুধ এক কাপ, চিনি দুই টেবিল চামচ, ঘি দুই টেবিল চামচ, কেওড়া এক টেবিল চামচ।
প্রণালি : সব উপকরণ একসঙ্গে মাখিয়ে কিছুক্ষণ রেখে হাত দিয়ে গুঁড়া করে নিতে হবে।

কবুতরের স্যুপ



উপকরণ :

কবুতর ১টি, পানি ৩ লিটার, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা হাফ চা চামচ, গোল মরিচ গুঁড়া হাফ চা চামচ, পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ, তেল ১ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো।

প্রস্তুত প্রণালি :

প্রথমে কবুতরের পালক ফেলে পরিষ্কার করে কেটে ধুয়ে নিন। এবার হাঁড়িতে পানি গরম করে কবুতর ও আদা-রসুন বাটা দিয়ে দিন। গোলমরিচ গুঁড়া ও লবণ দিন। পানি টগবগ করে ফুটতে ফুটতে যখন ঘন হয়ে যাবে তখন নামিয়ে ছেঁকে নিন।

অন্য কড়াইয়ে তেল দিয়ে পেঁয়াজ ফোড়ন দিয়ে এর মধ্যে ঢেলে দিন। গরম গরম পরিবেশন করুন মজাদার কবুতরের স্যুপ।

মাছের শামি কাবাব



উপকরণ :
বড় মাছ ১টি, ছোলার ডাল ১৫০ গ্রাম, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ (চপকাট), পেঁয়াজ বাটা ২ টে. চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ, কাঁচা মরিচ (চপকাট) ১ চা চামচ, হলুদ গুঁড়া হাফ চা চামচ, গরম মসলা গুঁড়া ১ চা চামচ, লেবুর রস ১ টে. চামচ, ধনেপাতা কুচি ১ চা চামচ, ডিম ২টি, চিনি সামান্য, লবণ পরিমাণমতো, পাউরুটির গুঁড়া পরিমাণমতো, তেল পরিমাণমতো।

প্রস্তুত প্রণালি :
প্রথমে বড় মাছ কেটে টুকরা করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন। ছোলার ডাল আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। আদা, রসুন, পেঁয়াজ, হলুদ, মরিচ, ধনে গুঁড়া ও গরম মসলা দিয়ে মাছ সিদ্ধ করুন। মাছ সিদ্ধ হলে নামিয়ে ঠাণ্ডা করে মাছের কাঁটা বেছে নিন।

এবার ডাল ও মাছ একসঙ্গে বেটে নিন। ডিমের কুসুম একসঙ্গে মেখে নিন। কাঁচা মরিচ কুচি, পেঁয়াজ ও ধনেপাতা কুচি, লেবুর রস, লবণ একসঙ্গে মেখে নিন।

মাছের খামির হাতের তালুতে অল্প করে নিয়ে গোল করে মাঝখানে বুড়ো আঙুলের গর্ত করে পেঁয়াজমাখা পুর ভরে মুখ বন্ধ করে চ্যাপ্টা আকারে কাবাব গড়ূন।

এবার ডিমের সাদা অংশে ডুবিয়ে পাউরুটির গুঁড়ায় মেখে গরম তেলে মচমচে করে ভেজে তুলুন। গরম গরম পরিবেশন করুন।

ইলিশ কাবাব


উপকরণ :
ইলিশ মাছ ১টি, আলু ১টি, পেঁয়াজ কুচি হাফ কাপ, কাঁচা মরিচ কুচি ১ চা চামচ, টমেটোর সস ২ টে. চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া হাফ চা চামচ, লেবুর রস ১ টে. চামচ, লবণ পরিমাণমতো, পাউরুটির গুঁড়া পরিমাণমতো, তেল সিকি কাপ, পেঁয়াজ বেরেস্তা পরিমাণমতো।

প্রস্তুত প্রণালি :
প্রথমে ইলিশ মাছের আঁশ ফেলে পেট চিরে ময়লা বের করে নিন। এবার পরিষ্কার করে ধুয়ে নিন। ডুবো পানিতে গোটা মাছ সিদ্ধ করুন। মাথা ও লেজ রেখে দু’পিঠের মাছ মাঝের কাঁটা থেকে স্লাইস করে তুলে কাঁটা বেছে নিন। মাছ ঝুরি করে নিন।

আলু সিদ্ধ করে চটকে নিন। লেবুর খোসা গ্রোট করে নিন। পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচ কুচি ভেজে তুলে চটকানো আলু দিয়ে ভেজে নিন। আলু তুলে রেখে কড়াইয়ে এক টে. চামচ তেল দিয়ে মাছের ঝুরি টমেটোর সস, গোলমরিচ ও লবণ দিয়ে ভেজে নিন। ভাজা হলে পেঁয়াজ বেরেস্তা ও কাঁচা মরিচ, লেমন রাইন্ড লেবুর রস দিয়ে নেড়ে আলু দিন। সামান্য ভাজা হলে নামিয়ে পাউরুটি ভেজে মাছে মিশিয়ে নিন।

এবার একটি ডিশে মাথা লম্বাভাবে বিছিয়ে রান্না করা মাছ ইলিশ মাছের আকারে বিছিয়ে দিন। ওপরে আরও পাউরুটি গুঁড়া সমানভাবে বিছিয়ে দিন। ওভেনে ১৯০ ডিগ্রি সে.গ্রে. তাপে ২০-২৫ মিনিট বেক করুন।

মটরশুঁটির সালাদ



উপকরণ :
মটরশুঁটি ১ কাপ, শসা কুচি আধা কাপ, টমেটো কুচি আধা কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ কুচি ২ চা চামচ, কাজু বাদাম/চীনা বাদাম (আধা ভাঙা) আধা কাপ, টমেটো সস আধা কাপ, গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ, ধনেপাতা কুচি সামান্য, চিনি আধা চা চামচ, লবণ স্বাদ মতো।

প্রস্তুত প্রণালি :

প্রথমে মটরশুঁটি ফুটন্ত গরম পানিতে সিদ্ধ করে নিতে হবে। একটি ডিশে সব উপকরণ সুন্দরভাবে মিশিয়ে মটরশুঁটি ও বাদাম দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার সালাদ।

পানতোয়া


উপকরণঃ
ছানা ১ কাপ,ময়দা ২ টেবিল চামচ,মাওয়া সেট করা সিকি কাপ,ঘি ১ টেবিল চামচ,চিনি ২ টেবিল চামচ,বেকিং পাউডার ১ চিমটি।

প্রণালীঃ
ছানা ভালোভাবে মাওয়া দিয়ে মথে নিতে হবে। ময়দায় ঘির ময়ান দিয়ে চিনি মেলাতে হবে। প্রথমে অল্প ছানার সঙ্গে বেকিং পাউডারটা মিলিয়ে পরে সব ছানার সঙ্গে মেলাতে হবে। ছানা, মাওয়া ও ময়দার মিশ্রণ দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে মসৃণ খামি বানাতে হবে। ইচ্ছামতো ছোট বা বড় বল বা লম্বা পানতোয়া হালকা বাদামি করে ভেজে তুলতে হবে। পানতোয়া বানানোর সময় ভেতরে পুর দিতে হবে। ভাজা পানতোয়া শিরার মধ্যে দিয়ে ১০ মিনিট জ্বাল করতে হবে। ৫-৬ ঘন্টা পর পরিবেশন করুন।

পুরের জন্য
১ চা চামচ চিনি, ১ চা চামচ মাওয়া এবং আধা চা চামচ এলাচগুঁড়া সব একত্রে মিলিয়ে নিয়ে পুর বানতে হবে।

শিরার জন্য
৩ কাপ চিনি ও ৫ কাপ পানি মিশিয়ে সেই চিনি পানি জ্বাল করে পাতলা শিরা বানাতে হবে। প্রয়োজন হলে ১ টেবিল চামচ দুধ দিয়ে ময়লা কেটে নিতে হবে।

মাওয়া তৈরিঃ
গুঁড়া দুধ আধা কাপ, আইসিং সুগার ২ টেবিল চামচ, ঘি ১ টেবিল চামচ, গোলাপ জল ১ চা চামচ। সব একসঙ্গে মিলিয়ে চালনি দিয়ে চেলে নিতে হবে।

নারিকেল দুধে হাঁসের মাংস


উপকরণ : 
হাঁস ২টি, নারিকেল বাটা ২ কাপ, আদা বাটা ২ চা চামচ, রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ, জিরাগুঁড়ো ১ চা চামচ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, পোস্ত বাটা আধা চা চামচ, মরিচ গুঁড়ো ১ চা চামচ, গরম মসলা গুঁড়ো ১ চা চামচ, তেল আধা কাপ, তেজপাতা ৩টি, লবণ ১ চা চামচ, হলুদগুঁড়ো আধা চা চামচ, চিনি আধা চা চামচ, ঘি ১ টেবিল চামচ। 

যেভাবে তৈরি করবেন 
১. মাংস মাঝারি ধরনের টুকরো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে লবণ ও মরিচ দিয়ে মাখিয়ে রাখুন। 

২. তেল গরম হলে পেঁয়াজ বাদামি করে ভেজে তেজপাতা ও সব মসলা দিয়ে কিছুক্ষণ কষান। 

৩. নারিকেল বেটে গরম পানিতে দুধ করে নিন। মাংসের পানি শুকিয়ে তেল ওপরে উঠলে নারিকেল দুধ দিন। 

৪. ঢেকে মাঝারি আঁচে রান্না করুন। মাংস সিদ্ধ হয়ে ঝোলমাখা হলে জিরাগুঁড়ো ও ঘি দিয়ে নামিয়ে ফেলুন।

হাঁসের কড়াই মাংস






উপকরণ:
হাঁস দেড় কেজি ১টি, মটরশুঁটি ১ কাপ, টক দই আধা কাপ, পেঁয়াজকুচি ১ কাপ, পেঁয়াজবাটা সিকি কাপ, আদাবাটা ১ টেবিল-চামচ, রসুনবাটা ১ টেবিল-চামচ, জিরাবাটা ১ চা-চামচ, বাদামবাটা ১ টেবিল-চামচ, জায়ফল-জয়ত্রীবাটা আধা চা-চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ, গরম মসলার গুঁড়া ১ চা-চামচ, মরিচ টালা গুঁড়া ১ চা-চামচ, তেজপাতা ২টি, দারচিনি ৪ টুকরা, এলাচ ৪টি, লবঙ্গ ৬টি, তেল পৌনে এক কাপ, গরুর কাঁচা দুধ আধা কাপ, হলুদগুঁড়া আধা চা-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, টমেটো সস ৩ টেবিল-চামচ (জিরা আধা চা-চামচ+যোয়ান আধা চা-চামচ একসঙ্গে টেলে গুঁড়া করা), ঘি ২ টেবিল-চামচ, আদাকুচি ২ টেবিল-চামচ।

প্রণালি:
হাঁস পরিষ্কার করে চামড়াসহ ছোট ছোট টুকরা করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে দুধ ও হলুদ দিয়ে মাখিয়ে ১ ঘণ্টা রাখতে হবে।

আধা কাপ তেল গরম করে সব বাটা মসলা কষিয়ে মাংস দিয়ে আবার কষাতে হবে। দই, লবণ, টমেটো সস, তেজপাতা, দারচিনি, এলাচ, লবঙ্গ, গোলমরিচ, জায়ফল, জয়ত্রী দিয়ে ভালো করে কষিয়ে গরম পানি দিয়ে ঢেকে রান্না করতে হবে। মাংস সেদ্ধ হয়ে ঝোল কমে গেলে নামাতে হবে।

লোহার কড়াই ৩০-৪০ মিনিট আগে চুলায় গরম করে রাখতে হবে। এতে বাকি তেল, ঘি, আদাকুচি, পেঁয়াজকুচি দিয়ে বেশি জ্বালে কিছুক্ষণ ভেজে মাংস দিয়ে ভুনতে হবে। মটরশুঁটি, গরম মসলার গুঁড়া, মরিচ টালা গুঁড়া, জিরা, জৈন গুঁড়া দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে নামাতে হবে।

মসলাদার কড়াই মাংস নোনতা ভাপা পিঠা, ছিটরুটি, নানরুটি, পরোটা ও ভুনা খিচুড়ির সঙ্গে পরিবেশন করা যায়।

মাশরুম-মুরগি


উপকরণ :

মুরগির মাংস ১ কেজি, মাশরুম দেড় কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, আদা বাটা দেড় চা-চামচ, রসুন বাটা ১ চা-চামচ, মরিচের গুঁড়া ১ চা-চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা-চামচ, এলাচি ৩-৪টি, লবণ পরিমাণমতো, জিরা বাটা ১ চা-চামচ, ধনে বাটা ১ চা-চামচ, গরম মসলা ১ চা-চামচ, মেথি বাটা আধা চা-চামচ, মৌরি বাটা আধা চা-চামচ, তেল ২ টেবিল চামচ, তেজপাতা ২টি, কাঁচা মরিচ ৩-৪টি।

প্রণালি :

মুরগির মাংস ছোট ছোট টুকরা করে নিন। তেলে এলাচি, তেজপাতা ও পেঁয়াজ দিয়ে বাদামি করে ভেজে নিন। এরপর তাতে সব মসলা দিয়ে কসিয়ে মাংস দিয়ে ঢেকে দিন। মাংস সেদ্ধ হলে মাশরুম ও কিছুক্ষণ পর কাঁচা মরিচ দিয়ে নামিয়ে নিন।

পনির পরোটা


উপকরণ: 
ময়দা ৪ কাপ, ডিম ১টা, লবণ ২ চা চামচ, পানি প্রয়োজনমতো, পনিরকুচি ২ কাপ, দুধ ২ টেবিল চামচ, চিনি ২ টেবিল চামচ, ঘি ২ টেবিল চামচ, তেল (ভাজার জন্য) প্রয়োজন মতো।

প্রণালি:
ময়দা, চিনি, লবণ, ঘি ও দুধ দিয়ে ময়ান করে ডিম ও পানি দিয়ে ডো বানাতে হবে। এবার ৬টা লেচি করে পানি দিয়ে ভিজিয়ে রাখতে হবে আধা ঘণ্টা। তারপর টেনে টেনে বড় পাতলা রুটি বেলতে হবে। পনির মিহি কুচি করে রুটির ওপর ছিটিয়ে দিয়ে চারকোণা ভাঁজ দিতে হবে। আবার পনির ছেটাতে হবে। এবার ভাঁজ দিয়ে গোল করে ভাঁজটা নিচের দিকে দিয়ে ১৫ মিনিট রেখে দিতে হবে। এবার একটি প্লেটে তেল মাখিয়ে ডোটা হাতের আঙুলে চেপে চেপে গোল পরোটার মতো করে বানাতে হবে। এখন ফ্রাইপ্যানে বাদামি করে ভেজে পরিবেশন। ইচ্ছা করলে ওভেনে ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ২০ মিনিট বেক করেও এই পরোটা বানানো যায়।

আলু পরোটা


উপকরণ: 
আলুসিদ্ধ ২ কাপ, পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ, তেল ৩ টেবিল চামচ, আদা বাটা সিকি চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, জিরা বাটা আধা চা চামচ, পেঁয়াজ বাটা ২ টেবিল চামচ, গোল মরিচ আধা চা চামচ, লবণ ২ চা চামচ, শুকনা মরিচ ১ চা চামচ, ময়দা পরিমাণমতো।

প্রণালি:
পাত্রে তেল ও পেঁয়াজ দিয়ে বাদামি হলে আদা, রসুন, জিরা, গোলমরিচ, শুকনা মরিচ, পেঁয়াজ বাটা ও লবণ দিয়ে কষাতে হবে। এবার আলু সেদ্ধ দিয়ে নেড়ে নামাতে হবে। তারপর ময়দার সঙ্গে তা মাখাতে হবে। সবশেষে পরোটা বেলে ছেঁকা তেলে ভাজতে হবে।

কাবাব গোশত



উপকরণ
হাড়সহ গরুর মাংস এক কেজি, টক দই এক কাপ, পেঁয়াজ বাটা এক টেবিল চামচ, রসুন এক চা চামচ, আদা বাটা এক চা চামচ, জিরা বাটা এক চা চামচ, পোস্ত বাটা আধা চা চামচ, কাঠবাদাম বাটা এক চা চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া এক চা চামচ, মরিচ গুঁড়া স্বাদ অনুযায়ী, এলাচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, তেজপাতা তিনটি করে, জায়ফল বাটা এক চা চামচ, জয়ত্রী বাটা আদা চা চামচ, পেঁয়াজ বেরেস্তা আধা চা চামচ, ঘি এক কাপের চার ভাগের এক ভাগ, লবণ স্বাদমতো, চিনি আধা কাপ, কেওড়া পানি এক টেবিল চামচ।

যেভাবে তৈরি করবেন
১. গরুর মাংস ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।
২. জায়ফল, জয়ত্রী ছাড়া সব উপকরণ দিয়ে মাংস ম্যারিনেট করে রাখুন এক ঘণ্টা।
৩. কড়াইয়ে ঘি গরম করে গোটা গরম মসলা দিয়ে ফোড়ন দিন। এরপর ম্যারিনেট করা মাংস দিয়ে দিন।
৪. মাংস নেড়ে লবণ ও চিনি দিন। মাংস কষানো হলে দুই কাপ পানি দিয়ে ঢেকে দিন।
৫. সিদ্ধ হয়ে এলে ঘি ও বেরেস্তা, জায়ফল, জয়ত্রী দিয়ে নেড়ে অল্প আঁচে ঢেকে রাখুন ৩০ মিনিট।
৬. নামিয়ে পরিবেশন করুন কাবাব গোশত।

বিফ বটি কাবাব



উপকরণ :
১ কেজি বিফ, গরম মসলা ১ চামচ, জিরা গুঁড়া ১ চামচ, ধনিয়া গুঁড়া ১ চামচ, লাল মরিচ গুঁড়া ২ চামচ, লবণ পরিমাণমতো, ডানো ক্রিম ২ চামচ, শুকনা মরিচ ভেজে গুঁড়া ১ চামচ, ড্রাই অনিয়ন পাউডার ১ চামচ, মাস্টার্ড পেস্ট আধা চামচ, মাস্টার্ড অয়েল আধা কাপ, দই আধা কাপ, আদা-রসুন পেস্ট ২ চামচ, পেঁপে আধা কাপ।

প্রস্তুত প্রণালি :
বিফ পরিষ্কার করে কিউব করে কাটতে হবে। এরপর ধুয়ে পানি ছাড়িয়ে রাখতে হবে। সব মসলা এক সঙ্গে মিক্সড করে ১ ঘণ্টা ফ্রিজে রাখতে হবে। তারপর শিকে ভরে গ্রিলে দিতে হবে। ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে এটা তৈরি করতে হবে। বাদামি কালার হয়ে গেলে নামিয়ে ফেলতে হবে। এটা করতে ৮ মিনিট সময় লাগতে পারে।

Saturday, 13 December 2014

সবজি মাশরুম

সবজি মাশরুম
উপকরণ:
মাশরুম ২০০ গ্রাম, আলু ১০০ গ্রাম, মটরশুঁটি ১০০ গ্রাম, টমেটো ১০০ গ্রাম, ফুলকপি ১০০ গ্রাম, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, লবণ ১ চা চামচ, তেল আধা কাপ, 
জিরা বাটা ১ চা চামচ, কাঁচামরিচ ফালি ৬টি, কারি পাউডার ১ চা চামচ, চিনি আধা চামচ, হলুদ গুঁড়ো সামান্য।

যেভাবে তৈরি করবেন:
১. মাশরুমসহ সব সবজি কেটে ধুয়ে নিন।
২. টমেটো ছাড়া সব সবজি তেলে ভাজুন।
৩. এবার কড়াইয়ে তেল গরম করে পেঁয়াজ হালকা বাদামি করে ভেজে সব মসলা দিন।
৪. সামান্য পানি ও লবণ দিয়ে মসলা কষিয়ে টমেটো ছাড়া সব সবজি দিন।
৫. সবজি সিদ্ধ হলে টমেটো, কাঁচামরিচ দিয়ে নেড়ে ঢেকে দিন।
৬. কারি পাউডার দিয়ে নেড়ে পাঁচ মিনিট পর নামিয়ে পরিবেশন করুন।

করলা মুগডাল

করলা মুগডাল
উপকরণ : 
মুগডাল ১ কাপ, করলা ১০০ গ্রাম,হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, মরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ, পেঁয়াজ বাটা ২ টেবিল চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, 
রসুন বাটা আধা চা চামচ, কাঁচামরিচ ৫-৬টি, লবণ স্বাদমতো, তেল পরিমাণ মতো।

প্রস্তুত প্রণালি : 
১.মুগডাল ভেজে ধুয়ে নিন। করলা গোল গোল করে কেটে হলুদ গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া ও লবণ দিয়ে মেখে তেলে হালকা ভেজে নিন। 

২.কড়াইতে তেল গরম করে পেঁয়াজ বাটা, আদা বাটা, রসুন বাটা দিয়ে নেড়ে একে একে সব মসলা দিয়ে কষিয়ে ডাল দিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করুন। গরম পানি পরিমাণ মতো দিয়ে ঢাকনা দিন। 

৩.ডাল সিদ্ধ হলে কাঁচামরিচ ও ভেজে রাখা করলা দিয়ে নামিয়ে গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

ফেনা ভাসা সুস্বাদু চা

ফেনা ভাসা সুস্বাদু চা
উপকরণ : 
পানি- দেড় কাপ, ঘন দুধ- ১ কাপ, চা পাতা- ২ চা চামচ, আদা কুচি- ১/২ চা চামচ, ছোট এলাচ- ২টি, দারচিনি- এক টুকরো, লবঙ্গ- ২টি, তেজপাতা- অর্ধেকটা,  কনডেন্সড মিল্ক- ২ বা ৩ চা চামচ

প্রণালী :
১.প্রথমে পানি ও দুধ একসাথে চুলায় দিয়ে ফুটতে দিতে হবে। ফুটে উঠলে এতে আদা কুচি, ছোট এলাচ, দারচিনি, লবঙ্গ এবং তেজপাতা দিয়ে কিছুক্ষণ অল্প আঁচে জ্বাল দিতে হবে।

২.এক- দুই মিনিট পরেই মশলা আর দুধের মিশেলে খুব সুন্দর একটা সুগন্ধ বের হবে। এবার এতে কনডেন্সড মিল্ক আর চা পাতা দিতে হবে। অন্তত ৫ মিনিট অল্প আঁচে জ্বাল দিতে হবে।

৩.কেউ আরো কড়া চা খেতে চাইলে আর একটু সময় জ্বাল দিতে পারেন। হয়ে গেল চা।

৪.এবার আসি মূল বিষয়ে। কিভাবে চায়ের উপর ফেনা তৈরী করবেন। পদ্ধতিটা খুবই সোজা। দুটি বড় মগ নিন। এবার এক মগ থেকে আরেক মগে বারবার চা ঢালতে থাকুন। তবে সাধারণভাবে ঢাললেই ফেনা হবে না। টেকনিকটা হল একটু উঁচু থেকে আস্তে আস্তে এক মগ থেকে আরেক মগে চা ঢালতে হবে। এভাবে দুই থেকে তিন বার ঢালার পরই দেখবেন আস্তে আস্তে ফেনা হতে শুরু করেছে।

৫.চা পরিবেশন করার সময় প্রথমে কাপে চা দিন। তারপর সাবধানে আংগুল দিয়ে ফেনাটা চায়ের উপর দিয়ে দিন।আর এই চায়ের স্বাদ ও গন্ধ তো অতুলনীয়।

টক দই দিয়ে কোরাল মাছ কারি

টক দই দিয়ে কোরাল মাছ কারি 

উপকরণ :
 
কোরাল মাছ ১কেজি, সয়াবিন তেল হাফ কাপ, পেঁয়াজ বাটা হাফ কাপ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ, ভাজা জিরা গুঁড়া হাফ চা চামচ, আদার পাউডার বা বাটা হাফ চা চামচ, লবণ পরিমাণ মত, কাঁচামরিচ ফালি ৩ টি  ও টমেটো – ২ টি।

প্রণালী : 

১.মাছের মাঝারি টুকরা করে নিতে হবে। কড়াইয়ে তেল গরম করে কাঁচামরিচ ফোঁড়ন দিতে হবে। 

২.একটু ভেজে সব মসলা ও পেঁয়াজ বাটা দিয়ে কষিয়ে নিন। অল্প পানি দিয়ে মাছের টুকরাগুলো বিছিয়ে দিন। কিছুক্ষণ কষিয়ে প্রয়োজনমত পানি ও লবণ দিয়ে ঢেকে মৃদু আঁচে ৫ মিনিট রান্না করুন। 

৩.তারপর দই ভালো করে ফেটিয়ে দিয়ে দিন। তরকারিতে দিয়ে ঢাকনা দিয়ে দিন। মাঝখানে ঢাকনা খুলে মাছ উল্টিয়ে জিরা দিয়ে ঢেকে নিন।পানি লাগলে দিতে পারেন।  

৪.টক দই হলে সামান্য চিনি দিন। নামানোর আগে টমেটো দিন। ৫ মিনিট জ্বাল দিয়ে নামিয়ে নিন।

মাশরুম শর্মা

মাশরুম শর্মা

রায়তা তৈরি :
টকদই ১ কাপ, সরিষাবাটা ১ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচবাটা ১ চা-চামচ, লেবুর রস ১ চা-চামচ, চিনি ১ চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, শশা কুচি (খোসাসহ) আধা কাপ, বিট লবণ ১ চা-চামচ।

প্রণালি : 
সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে নিতে হবে।

রুটির উপকরণ :
ময়দা ৩ কাপ, ইস্ট ১ টেবিল চামচ, চিনি ১ টেবিল চামচ, লবণ ১ চা-চামচ, তিলের তেল ১ টেবিল চামচ, হালকা গরম পানি প্রয়োজনমতো।

পুরের উপকরণ : 
মাশরুম দেড় কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ,শুকনা মরিচ বাটা ১ চা-চামচ, 
আদাবাটা আধা চা-চামচ, রসুনবাটা আধা চা-চামচ, জায়ফল-জয়ত্রী গুঁড়া আধা চা-চামচ, টমেটো সস ১ চা-চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, লেবুর রস আধা চা-চামচ, ধনেপাতা কুচি আধা চা-চামচ

প্রণালি : 
১.শর্মার রুটির সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে গরম স্থানে ঢেলে রাখতে হবে। ফুলে উঠলে রুটি বেলে চুলায় সেঁকে নিতে হবে অথবা মাইক্রোওভেনে ১ মিনিট বেক করে নিতে হবে। 

২.তেলে পেঁয়াজ ও অন্যান্য মসলা ভেজে মাশরুম দিয়ে সামান্য নেড়ে ধনেপাতা দিয়ে নামিয়ে নিতে হবে। 

৩.রুটির ভেতর মাশরুমের পুর ঢুকিয়ে ভাঁজ করে শর্মা তৈরি করে রায়তার  সঙ্গে পরিবেশন করুন।


ভাপা পিঠা


উপকরণ
সিদ্ধ চালের গুঁড়া ২ কাপ, ভেঙে নেওয়া খেজুরের গুড় ১ কাপ নারিকেল কোরানো ১ কাপ, লবণ স্বাদমতো।

যেভাবে তৈরি করবেন:
১. চালের গুঁড়িতে লবণ মিশিয়ে হালকা করে পানি ছিটিয়ে ঝুরঝুরে করে মেখে নিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, যেন দলা না বাঁধে। এবার বাঁশের বা  স্টিলের চালনিতে চেলে নিন।
২. ভাপা পিঠা বানানোর হাঁড়িতে পানি দিন। এবার মুখ ছিদ্র ঢাকনা বসিয়ে আটা দিয়ে আটকে দিন। যাতে বাষ্প বের হতে না পারে। চুলায় বসিয়ে জ্বাল দিন।
৩. পাতলা সুতার দুই টুকরা কাপড় ও ছোট দুটি বাটি নিন।

৪. এবার বাটিতে চালা চালের গুঁড়ি দিয়ে মাঝখানে গর্ত করে গুড় ও নারিকেল দিন। আবার চালের গুঁড়া দিয়ে ঢেকে দিন।

৫. এবার এক টুকরা পাতলা সুতির কাপড় ভিজিয়ে পিঠার বাটি ঢেকে উল্টে মুখ ছিদ্র ঢাকনার ওপর পিঠা রেখে সাবধানে বাটি খুলে পিঠা ঢেকে দিন।
৬. সিদ্ধ হলে পিঠা উঠিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

(ভাপা পিঠা তাজা গুঁড়ি অর্থাৎ সঙ্গে সঙ্গে গুঁড়ি করে বানালে ভালো হয়। শুকনা গুঁড়ি দিয়ে বানালে অনেকক্ষণ আগে গুঁড়ি পানি ছিটা দিয়ে রেখে পরে বাঁশের চালানিতে চালতে হবে।)

গাজরের পুডিং


উপকরণ : 
ঘন দুধ ২ কাপ, ডিম ৮টি, চিনি দেড় কাপের একটু বেশি, গাজরকুচি ৪ টেবিল চামচ, গোলাপজল ১ টেবিল চামচ, জাফরান আধা চা-চামচ (গোলাপজলে ভিজিয়ে ঢেকে রাখুন), কাজুবাদাম (আধভাঙা) ২ টেবিল চামচ, কিশমিশ ১ টেবিল-চামচ, বাদাম ও পেস্তাকুচি ১ টেবিল-চামচ।

প্রণালি : 
১.এক লিটার দুধকে জ্বাল দিয়ে ঘন করে দুই কাপ করুন। একটি বাটিতে ডিম ভালো করে ফেটে রাখুন। বড় স্টিলের টিফিন বাটিতে ২ টেবিল-চামচ চিনি ছিটিয়ে দুই টেবিল-চামচ পানি দিয়ে চুলায় জ্বাল দিন। 
২.ফুটে ওঠার পর বাটিটা নামিয়ে রাখুন। ঠান্ডা হলে ক্যারামেল বাটির নিচে জমে যাবে। অন্য একটি পাত্রে ঘন দুধের সঙ্গে ফেটানো ডিম ও চিনি দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। 

৩.তারপর তাতে ঝুরি করা গাজর, গোলাপজলে ভেজানো জাফরান, আধভাঙা কাজুবাদাম, কিশমিশ, বাদাম ও পেস্তাকুচি দিয়ে হালকা নেড়ে মেশান। এবারে তা টিফিন বক্সে ঢেলে দিন। প্রি-হিটেড ওভেনে ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ৪০ মিনিট বেক করুন

Tuesday, 18 November 2014

টাকি শুটকি ভর্তা

টাকি শুটকি ভর্তা 
উপকরণ :

টাকি মাছ শুটকি  ছোট টুকরা  করা  ১/২ কাপ ,জিরা, কাঁচা  মরিচ  ৫/৭ টা ,রসুন  ২ টি ,পিয়াজ  কুচি  ২ টে : চামচ, লবন  পরিমানমত।

প্রণালী :
১.টাকি মাছ শুটকি  ছোট টুকরা  করে  একটি পাত্রে  পানি  দিয়ে  ভিজিয়ে  সিদ্ধ  করে নিন । এবার  ব্লেন্ডার  এ অল্প  পানি দিয়ে মাছ  ব্লেন্ড করুন। 

২.চুলায় প্যান দিয়ে  তেল  ছাড়া  সব  মসলা  {জিরা ,কাঁচা  মরিচ,রসুন, টি ,পিয়াজ কুচি} ভাজুন  লাল  করে । মসলা বেটে  নিন। 

৩.এবার  মাছ  এর  কিমা  হালকা  ভেজে মসলার  সাথে  মিশান  ও  গরম ভাতের  সাথে  পরিবেশন  করুন। 

লইট্টা শুটকি ভর্তা

লইট্টা শুটকি ভর্তা 
উপকরন :
লইট্টা শুটকি ছোট করে কাটা -১ কাপ,শুকনা মরিচ ১০/১২ টি অথবা কাঁচা মরিচ,রসুন ১ টি, পিয়াজ ২ টি ,লবণ , জিরা  ও তেল পরিমানমত

প্রনালী :
১.লইট্টা মাছ শুটকি প্যান এ  তেল  ছাড়া  ভাজি  করে  এবার  একটি পাত্রে পানি দিয়ে  সিদ্ধ  করে  নিন। 

২.রসুন,পিয়াজ,মরিচ,জিরা  তেলে ভাজি  করে পাটায়  বেটে  নিন। এবার মাছ মিহি  করা  বেটে  তাতে  সব  বাটা 

মশলা  মিশিয়ে  নিন ও গরম ভাত দিয়ে পরিবেশন  করুন।  

Friday, 14 November 2014

কাঁচা পেপের হালুয়া


উপকরণঃ
কাঁচা পেপে - দেড় কেজি ,চিনি - ১ কাপ অথবা স্বাদ অনুযায়ী, গুঁড়া দুধ - ১ কাপ ,ঘি - ২ টেবিল চামচ ,এলাচ- ২ টি সবুজ খাবার রঙ ,কয়েক ফোটা ভ্যানিলা এসেন্স ,সাজানোর জন্য কিসমিস ও বাদাম কুঁচি,


পদ্ধতিঃ 
১.পেঁপের খোসা ছাড়িয়ে ধুয়ে ছোট ছোট টুকরো করে ভাল করে সিদ্ধ করে নিন। ব্লেন্ডার এ দিয়ে পেস্ট করে নিন। 

২.প্যানে ঘি গরম করে এলাচ দিয়ে নেড়ে পেপে পেস্ট দিয়ে নাড়ুন। এরপর চিনি দিয়ে ক্রমাগত নাড়তে থাকুন। ঘন হয়ে এলে গুঁড়া দুধ দিন এবং আবারো নাড়তে থাকুন। 

৩.ফুড কালার দিয়ে হালুয়া ঘন হয়ে ঘি ভেসে ওঠা পর্যন্ত নাড়তে থাকুন। 

৪.এরপর ভ্যানিলা এসেন্স দিয়ে অল্প কিছুক্ষণ নেড়ে নামিয়ে ফেলুন। কিসমিস এবং বাদাম কুঁচি দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

চিংড়ির শাশ্লিক


উপকরণ :
চিংড়ি(মাঝারি আকারের)- ২০- ২৫ টা,ক্যাপ্সিকাম- ১ (১ ইঞ্চি আকারে কিউব করে কাটা),পেঁয়াজ- ১ (১ ইঞ্চি আকারে কিউব করে কাটা),টমেটো- ২ (১ ইঞ্চি আকারে কিউব করে কাটা),লাল মরিচের গুঁড়া- ১/২ চা চামচ,হলুদের গুঁড়া - ১/২ চা চামচ,জিরার গুঁড়া- ১/৪ চা চামচ,রসুন বাটা - ১/২ চা চামচ,আদা বাটা - ১/২ চা চামচ,সয়া সস - ১ টেবিল চামচ,টক দই- ২ টেবিল চামচ,লবন ১/২ চা চামচ বা স্বাদমত,তেল - ব্রাশ করার জন্য।

প্রনালীঃ
চিংড়িগুলো ভাল করে বেছে ধুয়ে নিন এবং পানি ঝরিয়ে রাখুন।
সব সব্জিগুলো ধুয়ে কেটে নিন।

এবার চিংড়িগুলো ও সব্জিগুলো একটি বাটিতে নিয়ে তেল ছাড়া সব উপকরন দিয়ে মাখিয়ে ১০ মিনিট মেরিনেট করে রাখুন।

লোহার শিকে একটা চিংড়ি, একটা ক্যাপ্সিকাম, একটা টমেটো এবং একটা পেঁয়াজ, এভাবে করে গেঁথে নিন আপনার পছন্দনীয় আকারে।

এবার একটি বেকিং ট্রেতে তেল ব্রাশ করে শিকগুলো পাশে পাশে করে সাজিয়ে দিন। তারপর শিকগুলোর উপরে আবার একটু তেল ব্রাশ করে নিন।

৩৫০ ডিগ্রী ফারেনহাইট বা ১৭৫ ডিগ্রী সে এ ওভেন প্রিহিট করে নিন। এবার বেকিং ট্রে টি ওভেনে ঢুকিয়ে ২০-২৫ মিনিট মত বেক করুন। ৮-১০ মিনিট পরে শিকগুলো উল্টিয়ে দিন।

শাশ্লিক হাল্কা বাদামি রঙ ও একটু পোড়া পোড়া হলে ওভেন থেকে বের করে গরম গরম পরিবেশন করুন যে কোনো সস বা রাইতা দিয়ে।

মাছ রসুনের ভর্তা


উপকরণ:
তেলাপিয়া ফিলে -২ টুকরা মাঝারি (অন্য কোন মাছ কাঁটা ছাড়ানো ব্যবহার করতে পারেন),রসুনের কোয়া-১২-১৫ টি(কুচি করা),
পেঁয়াজ-আধা কাপ(কুচি করা),কাঁচা মরিচ-৫-৬ টুকরা অথবা আপনার স্বাদ অনুযায়ী(আস্ত শুকনা মরিচ ভেজে গুড়া করেও ব্যবহার করতে পারেন),হলুদ গুঁড়া-১/২ চা চামচ, মরিচের গুড়া-১/২ চা চামচ, ধনে পাতা-২ টেবিল চামচ,সরিষার তেল- আনুমানিক ৩ তেবিল চামচ,লবন-১ চা চামচ অথবা আপনার স্বাদ অনুযায়ী।

পদ্ধতি:
১.মাছের ফিলেতে হলুদ গুঁড়া, লাল মরিচের গুঁড়া,১/২ চা চামচ লবণ ভাল করে মাখিয়ে ১০ মিনিট রেখে দিন। 

২.প্যান এ তেল গরম করুন। মাছের মাখিয়ে রাখা ফিলে দিন এবং উভয় পাশ বাদামি রঙ হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। প্যান থেকে মাছ নামিয়ে অন্য একটি পাত্রে রাখুন।

৩.প্যানের মধ্যে অবশিষ্ট তেলে কাটা পেঁয়াজ, রসুন, ১/২ চা চামচ লবণ এবং কাঁচা মরিচ কুচি দিয়ে ভাজতে থাকুন। পেঁয়াজ এবং রসুন নরম হয়ে এলে ভাজা মাছ দিয়ে দিন এবং নাড়তে থাকুন। মাছগুলোকে ভেঙে দিন।৩-৪ মিনিট ভাজুন। 

৪.প্যান থেকে নামিয়ে পাত্রে রাখুন। ধনে পাতা কুচি দিয়ে হাত দিয়ে ভাল করে মাখিয়ে নিন। পরিবেশনের জন্য ছোট ছোট বল তৈরি করে পরিবেশন করতে পারেন।

Monday, 3 November 2014

পাঁচমিশালি সবজি আচার


উপকরণ :
শালগম আধা কাপ,ফুলকপি আধা কাপ, বাঁধাকপি আধা কাপ, বরবটি
-গাজর টুকরা আধা কাপ,কাঁচা টমেটো আধা কাপ,মটরশুঁটি আধা কাপ,
জিরা বাটা ১ চামচ,হলুদ সামান্য,সরিষা বাটা ১ টেবিল চামচ,বিটলবণ আধা চা চামচ,জিরা-পাঁচফোড়ন-ধনে ভাজা গুঁড়া ১ চা চামচ,তেঁতুলের মাড় সিকি কাপ,চিনি সিকি কাপ, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ,রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ, লবণ ১ চা চামচ,সিরকা আধা কাপ,মরিচ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ,আস্ত পাঁচফোড়ন ১ চা চামচ,পাঁচফোড়ন বাটা ১ চামচ,
সরিষার তেল ৩০০ গ্রাম,সোডিয়াম বেনজয়েট আধা চা চামচ,
সিরকা ১ টেবিল চামচ। 

প্রণালী :
সবজি ছোট টুকরা করে কেটে ভাপ দিয়ে পানি ঝরিয়ে এক দিন রোদে শুকান।কড়াইয়ে তেল গরম করে পাঁচফোড়ন দিন। এরপর একে একে সব বাটা মসলা, লবণ, হলুদ, মরিচ দিয়ে ভালো করে কষিয়ে সবজি দিন। একটু নেড়ে সিরকা ও চিনি দিন। এবার তেঁতুলের মাড় দিয়ে ভালো করে কষান। আচার যখন তেলের ওপর উঠে আসবে, নামিয়ে সোডিয়াম বেনজয়েট ও সিরকা গুলে আচারে দিন। ভাজা মসলার গুঁড়া দিন। ঠাণ্ডা হলে বয়ামে রেখে কয়েক দিন রোদে দিয়ে সংরক্ষণ করুন।

জলপাইয়ের আচার মিষ্টি



উপকরণ : 
জলপাই ১ কেজি, লবণ স্বাদমতো, চিনি আধা কাপ, পাঁচফোঁড়ন ১ চা চামচ, টালা মরিচ গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ, গুড় আধা কাপ,সিরকা আধা কাপ। 

প্রনালী :
জলপাই পিস করে কেটে ৪-৫ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।এবার সব উপকরণ দিয়ে চুলায় জ্বাল দিন। পানি শুকিয়ে এলে পাঁচফোঁড়ন ছিটিয়ে দিয়ে নামান। ঝাল-টক ইচ্ছামতো বাড়ানো যাবে।

জলপাইয়ের আচার ঝাল


উপকরণ : 
জলপাই ১ কেজি,আদা বাটা ১ টেবিল চামচ,লবণ স্বাদমতো,
টালা লাল মরিচ ২ টেবিল চামচ,রসুন বাটা ১ চা চামচ,সরিষার তেল ১ কাপ,পাঁচফোঁড়ন ১ চা চামচ,চিনি ২ টেবিল চামচ।

প্রণালী :
জলপাই সিদ্ধ করে চটকে নিন।কড়াইয়ে তেল গরম করে আধা চা চামচ পাঁচফোঁড়ন দিন। জলপাইসহ বাকি উপকরণ দিয়ে দিন। ভাজা হয়ে তেল ওপরে উঠলে নামান।

চালতার আচার



উপকরণ : 
চালতা দেড়টি,চিনি আধা কাপ,তেল আধা কেজি,গুড় দেড় কাপ, 
মরিচ গুঁড়া ২ চা চামচ, রসুন বাটা দেড় টেবিল চামচ, সরিষার তেল আন্দাজ মতো,সরিষা বাটা দেড় টেবিল চামচ,রসুন কোয়া ১০/১২টি, তেজপাতা ২টি, শুকনা মরিচ ৪/৫টি,পাঁচফোড়ন ১ চা চামচ,পাঁচ ফোড়ন গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, সিরকা আধা কাপ। 

প্রণালি : 
১.চালতা টুকরা করে গরম পানিতে খুব ভালো করে সিদ্ধ করে ছেচে নিতে হবে। 

২.এবার প্যানে তেল দিয়ে তাতে রসুন, শুকনা মরিচ, পাঁচফোড়ন, তেজপাতা দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে চালতা দিতে হবে। 

৩.এবার গুড় দিয়ে নাড়তে হবে। তাতে মরিচ গুঁড়া, রসুন বাটা, সরিষা বাটা, পাঁচফোড়ন গুঁড়া দিয়ে নাড়তে হবে। চিনি দিতে হবে। 

৮.নামানোর আগে সিরকা দিয়ে নামিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

ক্যাপসিকাম আচার

উপকরণ :
ক্যাপসিকাম ৫টি, মেথি পোয়া কাপ চামচ,সরিষা আধা চা চামচ, ২টি লেবুর রস, মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ,হলুদ গুঁড়া আধা চা চামচ,হিং গুঁড়া সামান্য, তেল ২ টেবিল চামচ ও লবণ পরিমাণমতো। 

প্রণালি : 
১.ক্যাপসিকাম ছোট ছোট টুকরো করে বিচি ফেলে দিতে হবে। প্যানে তেল গরম করে সরিষা ও মেথি দিয়ে ভাজতে হবে। 

২.এরপর এতে হিং, মরিচ গুঁড়া ও হলুদ গুঁড়া দিতে হবে। কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে এবার ক্যাপসিকামের টুকরো ও লবণ দিয়ে মিশ্রণটিকে ঢেকে দিতে হবে। 

৩.নরম হয়ে এলে এতে লেবুর রস ঢেলে ভালোভাবে নাড়ূন। নামিয়ে নিয়ে ঠাণ্ডা হয়ে এলে জার বা বোতলে সংরক্ষণ করতে হবে।

কলার মোচার ভর্তা

কলার মোচার ভর্তা
উপকরণ:
কলার মোচা ২টি, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, 
রসুন বাটা ১ চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো, পেঁয়াজ কুচি সিকি কাপ, 
সরিষার তেল ৪ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ ২-৩টি, ছোট চিংড়ি মাছ পরিমাণমতো, ঘি ১ চা চামচ।

প্রণালী :
১. মোচা থেকে ফুল আলাদা করে ফুলের ভেতর শলাকার মতো সাদা অংশটি ফেলে দিয়ে লবণ-পানিতে ১০-১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন

২. কড়াইয়ে তেল দিয়ে লবণ ও হলুদ দিয়ে চিংড়ি মাছ হালকা করে ভেজে নিন।

৩. মোচার ফুল লবণ, আদা বাটা, রসুন বাটা দিয়ে সিদ্ধ করে বেটে নিন।

৪. এরপর কড়াইয়ে তেল দিয়ে পেঁয়াজ কুচি হালকা করে ভেজে বাটা ফুলগুলো দিয়ে চিংড়ি মাছ, কাঁচা মরিচ ও লবণ দিয়ে নেড়ে নিন যেন পানি না থাকে।

৫. সবশেষে ঘি দিয়ে নামিয়ে নিন।

তিল বেগুনের ভর্তা

উপকরণ:
বেগুন ২টি, তিল ১ টেবিল চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন কুচি ১ চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো, পেঁয়াজ কুচি সিকি কাপ, সরিষার তেল ৪ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ ফালি ২-৩টি, পোস্তদানা ১ চা চামচ, গোটা সরিষা ১ চা চামচ, সরিষার তেল ৪ টেবিল চামচ, গোটা জিরা ১ চা চামচ, শুকনা মরিচ ২টি, টমেটো ২-৩টি, আলু সিদ্ধ ১টি।


প্রনালী :
১. বেগুন পুড়ে ভর্তা করে নিন। টমেটো পানিতে সিদ্ধ করে ভর্তা করে নিন।
২. তিল, সরিষা ও পোস্ত বেটে নিন।
৩. কড়াইয়ে তেল দিয়ে রসুন কুচি, পেঁয়াজ কুচি হালকা লাল করে ভেজে আদা বাটা, তিল, সরিষা ও পোস্ত বাটা দিয়ে কষিয়ে বেগুন, টমেটো, আলু সিদ্ধ দিয়ে নাড়তে থাকুন যেন লেগে না যায়।
৪. লবণ ও কাঁচা মরিচ ফালি দিয়ে নামিয়ে নিন।

বিফ কোপ্তা কারী


উপকরণ :  
গরুর মাংসের কিমা আধা কেজি, আদা-রসুন বাটা ২ টেবিল চামচ, 
টক দই ২ টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, মরিচ গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ, ভিনেগার ১ টেবিল চামচ, 
পাউরুটি টুকরা ২টি, ডিম ১টি, তেল, লবণ স্বাদমতো।

পদ্ধতি : 
একটি পাত্রে গরুর মাংসের কিমা নিয়ে এতে আদা-রসুন বাটা, সামান্য টক দই, লবণ, ১ টেবিল চামচ হলুদ, ১ টেবিল চামচ মরিচ, ভিনেগার দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে মেরিনেট করে রাখুন ২-৩ ঘণ্টা। এরপর এতে পেঁয়াজ কুচি, পুদিনা পাতা কুচি (ইচ্ছা), মরিচ কুচি, পানিতে ভেজানো পাউরুটি দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে নিন। একটি প্যানে ডুবো তেলে ভাজার জন্য তেল গরম করে নিন। এবার কিমা দিয়ে ছোট ছোট বল করে নিয়ে ডিমে চুবিয়ে তেলে লাল করে ভেজে নিন। 

এরপর অপর একটি কড়াইতে তেল দিয়ে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ভেজে নিন। তারপর বাকি সব মসলা দিয়ে কষিয়ে নিন। এবং কোপ্তা বলগুলো দিয়ে নেড়ে নিন ভালো করে। পরিমাণ মতো পানি দিয়ে মৃদু আঁচে রান্না করতে থাকুন। ঝোল ঘন করার জন্য ২ টেবিল চামচ কর্ণফ্লাওয়ার গুলিয়ে নিয়ে দিয়ে ঝোল ঘন করে নামিয়ে নিন। একটি সার্ভিং ডিসে ঢেলে ওপরে বাদাম কিসমিশ কুচি ছড়িয়ে পরিবেশন করুন। চাইলে মুরগির মাংস দিয়ে কোপ্তা তৈরি করতে পারেন।

Sunday, 28 September 2014

রসগোল্লা বা স্পন্জ মিষ্টি



উপকরন :
দুধ ১ লিটার, লেবুর  রস  ৩ টেবিল  চামচ,এলাচ ৫টা  গুড়া,
চিনি  ১.৫ কাপ,পানি ৩ কাপ,ময়দা  ১ টেবিল চামচ,চিনি ১ চা  চামচ।

প্রক্রিয়া :
 ছানা  তৈরী :একটি প্যান এ ১ লিটার  দুধ  দিন  এবং  ভালো করে ফোটান। এবার দুধ ভালোকরে নাড়ুন।দুধ এ লেবুর রস মিশান।এরপর  আরো  ৫ মিনিট জাল দিন। দুধ  ছানা  তৈরী  হবার  পর  চুলা  বন্ধ  করে  দিন। একটি  সুতি  কাপড় এ ছানা ভালোকরে চিপড়া নিন। ছানার পানি ভালো করে ঝরিয়ে ছানা বাতাসে শুকিয়ে নিতে হবে।

গোল্লা তৈরী:ছানা হাত দিয়ে মিহি করে নিতে হবে।এবার  ময়দা  ১ টেবিল চামচ ,চিনি ১ চা  চামচ দিয়ে ভালোকরে মেখে নিন। এবার ১০-১২ ভাগ করে গোল করে রাখতে হবে।


প্যান এ পানি ও  ১.৫ কাপ চিনি দিন। সিরা ফুটে উঠলে সবগুলো ছানার গোল্লা দিয়ে ২০-২৫ মিনিট চুলায় জ্বাল দিন।এবার এলাচ গুড়া  দিয়ে চুলা  বন্ধ  করে  দিন। পাঁচ-ছয় ঘণ্টা শিরায় ভিজিয়ে রাখতে হবে।

Monday, 25 August 2014

চ্যাপা শুঁটকির ভুনা ভর্তা

চ্যাপা শুঁটকির ভুনা ভর্তা

উপকরণ : 
চ্যাপা শুঁটকি ৫-৬টি , শুকনো মরিচ ৫-৬টি, পেঁয়াজ মিহি করে কাটা আধা কাপ, রসুন মিহি করে কাটা ২ টেবিল চামচ, পরিমাণমতো সরিষা তেল এবং লবণ স্বাদ অনুযায়ী।

প্রস্তুত প্রণালি : 
প্রথমে চ্যাপ শুঁটকির মাথা ফেলে দিয়ে আঁশ পরিষ্কার করে মাছ ভালো করে ধুয়ে রাখুন। এরপর একটি ফ্রাইপ্যানে পরিমাণমতো তেলে কিছু পেঁয়াজ কুচি ও শুকনো মরিচ ভেজে নিয়ে পাটায় রসুন কুচি ও চ্যাপা শুঁটকি এবং স্বাদ অনুযায়ী লবণসহ মিহি করে বেটে নিন। 

পরে একটি ফ্রাইপ্যানে অল্প তেলে পেঁয়াজ কুচি ভাজা ভাজা করে তাতে চ্যাপা শুঁটকি বাটা দিয়ে ভালোভাবে ভুনা করে নামিয়ে পরিবেশন করুন।

শাপলা ভর্তা


উপকরণ : 
শাপলা লতা কেটে বেছে নেওয়া ৩০০ গ্রাম, খোসা ছাড়ানো মাঝারি চিংড়ি ২টি, কোরানো নারকেল সিকি কাপ, রসুন ৬ কোয়া, দেশি পেঁয়াজ ৩টি চার টুকরা করা, শুকনা মরিচ ৬টি, লবণ ১ চা-চামচ, 
চিনি ১ চা-চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, সরিষার তেল ২ টেবিল চামচ।

প্রণালি : 
শাপলা লতা ভাপ দিয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। ঠান্ডা হলে হাত দিয়ে চিপে বাড়তি পানি নিংড়ে নিয়ে একটি পাত্রে রাখুন। ফ্রাইপ্যানে এক টেবিল চামচ সরিষার তেল গরম করে শুকনা মরিচ টেলে উঠিয়ে রাখুন। এবার তাতে চিংড়ি মাছ, কোরানো নারকেল ও আধা চা-চামচ লবণ দিয়ে ভালো করে ভাজা ভাজা করে উঠিয়ে রাখুন।

 এবার বাকি এক টেবিল চামচ তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজ ও রসুন ভেজে নিন। কিছুক্ষণ ভাজার পর শাপলা লতা ও বাকি লবণ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে ভাজা ভাজা করুন। বাড়তি পানি টেনে গেলে চিংড়ি মাছ ও নারকেল কোরা দিয়ে কিছুক্ষণ ভাজুন। তারপর শুকনা মরিচ, চিনি এবং লেবুর রস দিয়ে কিছুক্ষণ ভাজা ভাজা করে নামান। পাটায় মসৃণ করে বেটে গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

আমলকীর টক-ঝাল আচার

উপকরণ : 
আমলকী ৫০০ গ্রাম, তেঁতুল ২০০ গ্রাম, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, মরিচ গুঁড়া ২ চা চামচ,মেথি গুঁড়া ১ চা চমচ, লবণ পরিমাণমতো, সরিষার তেল ২৫০ মি.লি, সরিষা ১ চা চামচ, মেথি আধা চা চামচ, গুড় দেড় কাপ।

প্রস্তুত প্রণালি : 
আমলকী কেটে ছোট ছোট টুকরা করে নিতে হবে। তেঁতুল গরম পানিতে ভিজিয়ে রেখে বিচি ফেলে পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। এর সঙ্গে হলুদ গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া, মেথি গুঁড়া ও লবণ মিশিয়ে নিতে হবে। কড়াইয়ে অর্ধেক তেল দিয়ে আমলকী দিয়ে ভেজে নিতে হবে। কিছুক্ষণ ঢেকে রাখতে হবে। যতক্ষণ না নরম হয়। 

এরপর তেঁতুলের পেস্ট এবং বাকি তেল দিয়ে পাঁচ থেকে ১০ মিনিট নাড়াচাড়া করতে হবে। তারপর গুড় দিয়ে কিছুক্ষণ রাখতে হবে। এবার অন্য একটি প্যানে ১ টেবিল চামচ তেল দিয়ে তাতে সরিষা ও মেথি দিতে হবে। যখন ফুটতে থাকবে তখন আমলকীর মিশ্রণে ছেড়ে দিতে হবে। এরপর নামিয়ে ঠাণ্ডা করে পরিবেশন করতে হবে।

সবজি পোলাও


উপকরণ: 
পোলাওয়ের চাল (বাসমতী চাল) ৫০০ গ্রাম, ফুলকপি আধা কাপ, 
ব্রকলি আধা কাপ, গাজর কিউব করে কাটা আধা কাপ, আলু কিউব করে কাটা আধা কাপ, মটরশুঁটি আধা কাপ, সবজির স্টক সাড়ে তিন কাপ, আদা বাটা ১ টেবিল-চামচ, রসুন বাটা ১ চা-চামচ, পেঁয়াজ বাটা ১ টেবিল-চামচ, জিরা বাটা ১ চা-চামচ, পোস্তদানা বাটা ১ টেবিল-চামচ, 
লবণ পরিমাণমতো, লেবুর রস ২ টেবিল-চামচ, চিনি ১ চা-চামচ, দুধ আধা কাপ, কাঁচামরিচ ১০-১২টি, তেল আধা কাপ, লবঙ্গ ৪টি, দারচিনি ৪ টুকরা, তেজপাতা ২টি, এলাচ ৪টি, ঘি ৩ টেবিল-চামচ।

প্রণালি: 
ফুটন্ত পানিতে লবণ দিয়ে সব সবজি আলাদাভাবে আধা সেদ্ধ করে নিতে হবে। চাল ধুয়ে পানি ঝরাতে হবে। তেল গরম করে গরম মসলা ও তেজপাতা ফোঁড়ন দিয়ে সব বাটা মসলা কষিয়ে সবজির স্টক দিতে হবে। পানি ফুটে উঠলে লেবুর রস ও চাল দিতে হবে। 

পানি শুকিয়ে এলে দুধ, চিনি ও কাঁচামরিচ দিয়ে ৫-৭ মিনিট অল্প আঁচে রাখতে হবে। সব সবজি দিয়ে, সবজির ওপর ঘি দিয়ে ১৫-২০ মিনিট দমে রাখতে হবে। সবজি পোলাও ভাজা, কাবাব ও ভুনা মাংসের সঙ্গে পরিবেশন করা যায়।

মগজের কাবাব


উপকরণ: 
সেদ্ধ মগজ ১ কাপ,সেদ্ধ আলু ২ টেবিল চামচ (ম্যাশড),সেদ্ধ কাঁচা কলা ১টি,কর্নফ্লাওয়ার ১ টেবিল চামচ,আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ,কাবাব মসলা আধা চা চামচ,পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ,
মরিচ কুচি ২টি,ধনেপাতা কুচি ১ টেবিল চামচ,ডিম ১টি, বিস্কুটের গুঁড়া ১ কাপ,লবণ স্বাদমতো ও তেল প্রয়োজনমতো।

প্রণালী: 
তেল, ডিম ও বিস্কুটের গুঁড়া ছাড়া বাকি সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে একটি মিশ্রণ তৈরি করতে হবে।

মিশ্রণ থেকে নিয়ে কাবাব আকারে গড়ে ডিমে ডুবিয়ে গুঁড়ো মেখে ৩০ মিনিট ফ্রিজে রাখুন এবং প্যান এ ডুবো তেলে সোনালি রং করে ভেজে তুলুন।