...............................................................................................
....................................................................................................................
জানেন কি? ভালো ব্র্যান্ডের দোকানের মতো একই মানের মিষ্টি আমরা তৈরি করতে পারি অনেক অল্প খরচে এবং সব মিলিয়ে মাত্র ১ ঘণ্টার মধ্যেই।
উপকরণ:
দুধ- ২ লিটার,লেবুর রস-৪টেবিল চামচ,পানি-৬ কাপ,চিনি-৩ কাপ, গোলাপ জল সামান্য।
প্রণালী:
ছানা তৈরি: দুধ জ্বাল দিয়ে অল্প করে লেবুর রস দিয়ে ছানা তৈরি করে নিন।
দুধ থেকে সবুজ পানি বের হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে একটি পরিষ্কার কাপড় নিয়ে চেপে ভাল করে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে।
এরপর ছানা হাত দিয়ে ভাল করে মাখাতে হবে মসৃণ হওয়া পর্যন্ত।প্রেসার কুকারে ৬ কাপ পানিতে চিনি দিয়ে চুলায় দিন। সিরা তৈরি হলে এক চামচ দুধ দিয়ে ময়লা তুলে ফেলুন। চুলার আঁচ কমিয়ে দিন। ছানা হাতের তালু দিয়ে মথে নিন।
ছানা ২০-২৫ ভাগ করে গোল করে রাখুন। সব ছানার বল একসঙ্গে সিরায় দিয়ে প্রেসার কুকারের ঢাকনা দিয়ে বন্ধ করে দিন। মাত্র একটি সিটি বাজা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। ব্যস এবার চুলা বন্ধ করে দিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন।
সিরাসহ রসগোল্লা একটি বড় পাত্রে ঢালুন। ১ চা চামচ গোলাপ জল দিন।ঠাণ্ডা হলে স্পঞ্জ রসগোল্লা পরিবেশন করুন।প্রিয়জনের কাছে আরও প্রিয় হওয়ার সহজ উপায় হচ্ছে সে যে খাবারটি পছন্দ করে সেটা ঘরে তৈরি করে টেবিলে সাজিয়ে তাকে সারপ্রাইজ দেওয়া।
ঘন দুধ ১ লিটার, চিনি ১ কাপ, ডিম ২টি, কাস্টার্ড পাউডার ২ টেবিল-চামচ। ঠান্ডা দুধে সব উপকরণ মিশিয়ে চুলায় জ্বাল দিতে হবে এবং অনবরত নাড়তে হবে। কাস্টার্ড সস ঘন হলে নামিয়ে ঠান্ডা করে ফ্রিজে রাখতে হবে।
যেকোনো মিষ্টি ফল ২ কাপ (কলা, পেঁপে, আপেল, আনার)। কিশমিশ কুচি ১ টেবিল-চামচ, বাদাম কুচি ১ টেবিল-চামচ, পরিবেশনের সময় সব ফল ও বাদাম কুচি দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করা যায়।
উপকরণ :
বড় ফুলকপি ১টি, দুধ ২ লিটার, আধা ভাঙা পোলাওয়ের চাল আধা কাপ, কনডেন্সড মিল্ক এক টিন; নতুন খেজুরের গুড় এক কাপ, এলাচ গুঁড়া এক চা-চামচ; দারুচিনি গুঁড়া আধা চা-চামচ; পেস্তা ও আমন্ড বাদাম কুচি ৪ টেবিল চামচ, কিশমিশ ২ টেবিল চামচ, হাতে বানানো মাওয়া গুঁড়া এক কাপ।
প্রণালি :
চাল এক লিটার দুধ দিয়ে সেদ্ধ করতে হবে। ফুলকপির ফুলগুলো ছোট করে কেটে আধা লিটার দুধ দিয়ে সেদ্ধ করে নিতে হবে। চালের সঙ্গে মিশিয়ে গুড়, বাকি আধা লিটার দুধ, দারুচিনি, এলাচ গুঁড়া দিয়ে রান্না করতে হবে। ঘন হয়ে এলে কনডেন্সড মিল্ক, হাতে বানানো অর্ধেকটা মাওয়া, কিশমিশ, পেস্তা, আমন্ড কুচি দিতে হবে। ফুলে উঠলে চুলা বন্ধ করে দিতে হবে। পরিবেশন পাত্রে ঢেলে মাওয়া গুঁড়া, পেস্তা বাদাম দিয়ে সাজিয়ে ঠান্ডা হলে পরিবেশন করতে হবে।
হাতে বানানো মাওয়া
উপকরণ : গুঁড়া দুধ এক কাপ, চিনি দুই টেবিল চামচ, ঘি দুই টেবিল চামচ, কেওড়া এক টেবিল চামচ।
প্রণালি : সব উপকরণ একসঙ্গে মাখিয়ে কিছুক্ষণ রেখে হাত দিয়ে গুঁড়া করে নিতে হবে।
উপকরণঃ
ছানা ১ কাপ,ময়দা ২ টেবিল চামচ,মাওয়া সেট করা সিকি কাপ,ঘি ১ টেবিল চামচ,চিনি ২ টেবিল চামচ,বেকিং পাউডার ১ চিমটি।
প্রণালীঃ
ছানা ভালোভাবে মাওয়া দিয়ে মথে নিতে হবে। ময়দায় ঘির ময়ান দিয়ে চিনি মেলাতে হবে। প্রথমে অল্প ছানার সঙ্গে বেকিং পাউডারটা মিলিয়ে পরে সব ছানার সঙ্গে মেলাতে হবে। ছানা, মাওয়া ও ময়দার মিশ্রণ দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে মসৃণ খামি বানাতে হবে। ইচ্ছামতো ছোট বা বড় বল বা লম্বা পানতোয়া হালকা বাদামি করে ভেজে তুলতে হবে। পানতোয়া বানানোর সময় ভেতরে পুর দিতে হবে। ভাজা পানতোয়া শিরার মধ্যে দিয়ে ১০ মিনিট জ্বাল করতে হবে। ৫-৬ ঘন্টা পর পরিবেশন করুন।
পুরের জন্য
১ চা চামচ চিনি, ১ চা চামচ মাওয়া এবং আধা চা চামচ এলাচগুঁড়া সব একত্রে মিলিয়ে নিয়ে পুর বানতে হবে।
শিরার জন্য
৩ কাপ চিনি ও ৫ কাপ পানি মিশিয়ে সেই চিনি পানি জ্বাল করে পাতলা শিরা বানাতে হবে। প্রয়োজন হলে ১ টেবিল চামচ দুধ দিয়ে ময়লা কেটে নিতে হবে।
মাওয়া তৈরিঃ
গুঁড়া দুধ আধা কাপ, আইসিং সুগার ২ টেবিল চামচ, ঘি ১ টেবিল চামচ, গোলাপ জল ১ চা চামচ। সব একসঙ্গে মিলিয়ে চালনি দিয়ে চেলে নিতে হবে।
উপকরণ :
ঘন দুধ ২ কাপ, ডিম ৮টি, চিনি দেড় কাপের একটু বেশি, গাজরকুচি ৪ টেবিল চামচ, গোলাপজল ১ টেবিল চামচ, জাফরান আধা চা-চামচ (গোলাপজলে ভিজিয়ে ঢেকে রাখুন), কাজুবাদাম (আধভাঙা) ২ টেবিল চামচ, কিশমিশ ১ টেবিল-চামচ, বাদাম ও পেস্তাকুচি ১ টেবিল-চামচ।
প্রণালি :
১.এক লিটার দুধকে জ্বাল দিয়ে ঘন করে দুই কাপ করুন। একটি বাটিতে ডিম ভালো করে ফেটে রাখুন। বড় স্টিলের টিফিন বাটিতে ২ টেবিল-চামচ চিনি ছিটিয়ে দুই টেবিল-চামচ পানি দিয়ে চুলায় জ্বাল দিন।
২.ফুটে ওঠার পর বাটিটা নামিয়ে রাখুন। ঠান্ডা হলে ক্যারামেল বাটির নিচে জমে যাবে। অন্য একটি পাত্রে ঘন দুধের সঙ্গে ফেটানো ডিম ও চিনি দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন।
৩.তারপর তাতে ঝুরি করা গাজর, গোলাপজলে ভেজানো জাফরান, আধভাঙা কাজুবাদাম, কিশমিশ, বাদাম ও পেস্তাকুচি দিয়ে হালকা নেড়ে মেশান। এবারে তা টিফিন বক্সে ঢেলে দিন। প্রি-হিটেড ওভেনে ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ৪০ মিনিট বেক করুন
উপকরণঃ
কাঁচা পেপে - দেড় কেজি ,চিনি - ১ কাপ অথবা স্বাদ অনুযায়ী, গুঁড়া দুধ - ১ কাপ ,ঘি - ২ টেবিল চামচ ,এলাচ- ২ টি সবুজ খাবার রঙ ,কয়েক ফোটা ভ্যানিলা এসেন্স ,সাজানোর জন্য কিসমিস ও বাদাম কুঁচি,
পদ্ধতিঃ
১.পেঁপের খোসা ছাড়িয়ে ধুয়ে ছোট ছোট টুকরো করে ভাল করে সিদ্ধ করে নিন। ব্লেন্ডার এ দিয়ে পেস্ট করে নিন।
২.প্যানে ঘি গরম করে এলাচ দিয়ে নেড়ে পেপে পেস্ট দিয়ে নাড়ুন। এরপর চিনি দিয়ে ক্রমাগত নাড়তে থাকুন। ঘন হয়ে এলে গুঁড়া দুধ দিন এবং আবারো নাড়তে থাকুন।
৩.ফুড কালার দিয়ে হালুয়া ঘন হয়ে ঘি ভেসে ওঠা পর্যন্ত নাড়তে থাকুন।
৪.এরপর ভ্যানিলা এসেন্স দিয়ে অল্প কিছুক্ষণ নেড়ে নামিয়ে ফেলুন। কিসমিস এবং বাদাম কুঁচি দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।
উপকরন :
দুধ ১ লিটার, লেবুর রস ৩ টেবিল চামচ,এলাচ ৫টা গুড়া,
চিনি ১.৫ কাপ,পানি ৩ কাপ,ময়দা ১ টেবিল চামচ,চিনি ১ চা চামচ।
প্রক্রিয়া :
ছানা তৈরী :একটি প্যান এ ১ লিটার দুধ দিন এবং ভালো করে ফোটান। এবার দুধ ভালোকরে নাড়ুন।দুধ এ লেবুর রস মিশান।এরপর আরো ৫ মিনিট জাল দিন। দুধ ছানা তৈরী হবার পর চুলা বন্ধ করে দিন। একটি সুতি কাপড় এ ছানা ভালোকরে চিপড়া নিন। ছানার পানি ভালো করে ঝরিয়ে ছানা বাতাসে শুকিয়ে নিতে হবে।
গোল্লা তৈরী:ছানা হাত দিয়ে মিহি করে নিতে হবে।এবার ময়দা ১ টেবিল চামচ ,চিনি ১ চা চামচ দিয়ে ভালোকরে মেখে নিন। এবার ১০-১২ ভাগ করে গোল করে রাখতে হবে।
প্যান এ পানি ও ১.৫ কাপ চিনি দিন। সিরা ফুটে উঠলে সবগুলো ছানার গোল্লা দিয়ে ২০-২৫ মিনিট চুলায় জ্বাল দিন।এবার এলাচ গুড়া দিয়ে চুলা বন্ধ করে দিন। পাঁচ-ছয় ঘণ্টা শিরায় ভিজিয়ে রাখতে হবে।
উপকরণঃ কাঁচা পেপে - দেড় কেজি,চিনি - ১ কাপ অথবা আপনার স্বাদ অনুযায়ী,গুঁড়া দুধ - ১ কাপ,ঘি - ২ টেবিল চামচ,এলাচ- ২ টি,হলুদ বা কমলা খাবার রঙ - কয়েক ফোটা,ভ্যানিলা এসেন্স - কয়েক ফোটা,কিসমিস- সাজানোর জন্য,এলমণ্ড কুঁচি সাজানোর জন্য।
পদ্ধতিঃ
পেঁপের খোসা ছাড়িয়ে ধুয়ে ছোট ছোট টুকরো করে ভাল করে সিদ্ধ করে নিন।ব্লেন্ডার এ দিয়ে পেস্ট করে নিন।
প্যানে ঘি গরম করে এলাচ দিয়ে নেড়ে পেপে পেস্ট দিয়ে নাড়ুন। এরপর চিনি দিয়ে ক্রমাগত নাড়তে থাকুন। ঘন হয়ে এলে গুঁড়া দুধ দিন এবং আবারো নাড়তে থাকুন। ফুড কালার দিয়ে হালুয়া ঘন হয়ে ঘি ভেসে ওঠা পর্যন্ত নাড়তে থাকুন।এরপর ভ্যানিলা এসেন্স দিয়ে অল্প কিছুক্ষণ নেড়ে নামিয়ে ফেলুন।কিসমিস এবং বাদাম কুঁচি দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।
উপকরণ:
পাউরুটি - ২ টুকরা,দুধ - ৪ কাপ,কনডেন্স মিল্ক - ১/২ কাপ,এলাচ গুড়া - ১/৪ চা চামচ,ডিম - ১,চিনি - ১ টেবিল চামচ,লবন - ১/৪ চা চামচ,তেল - ৪ টেবিল চামচ,বাদাম (কাটা) - ১/৪ কাপ,
পদ্ধতি:
একটি পাত্রে ১ টেবিল চামচদুধ আলাদা করে রেখে বাকি দুধ একটি প্যানএ নিন। এতে এলাচ গুড়া যোগ করে সিদ্ধ করুন এবং প্রায় এক কাপে নিয়ে আসুন। সিদ্ধ করার সময় ক্রমাগত নাড়তে থাকুন, অথবা দুধ পুড়ে যেতে পারে।এরপর কনডেন্স মিল্ক যোগ করে আবার সিদ্ধ করুন।
এখন পাউরুটির টুকরাগুলু একটি প্যান বা টোস্টার-এ হালকা বাদামী রং করে টোস্ট করুন। টুকরাগুলুকে ৪ টি চতুষ্কোণ টুকরায় অথবা ২ টি ত্রিভুজাকার টুকরায় কাটুন।
এখন আলাদা করে রাখা দুধে ডিমটি যোগ করে ফেটিয়ে নিন। এর সাথে চিনি আর লবন ভালকরে মিশান।
একটি পাত্রে তেল নিয়ে মাঝারি তাপে গরম করুন। তেল গরম হলে একটি পাউরুটির টুকরা ডিমের মিশনে হালকা করে চুবিয়ে তেলে দিন এবং দুই পাশ বাদামি রং না আশা পর্যন্ত ভাজুন। ভাজা হলে এটি তুলে একটি পেপার টাওয়েলে রাখুন। একইভাবে বাকি টুকরাগুলু ভেজে নিন।
সব ভাজা পাউরুটি একটি থালায় নিয়ে একসারিতে সাজান। তারপর সিদ্ধ করা দুধের অর্ধেক এর উপর ঢেলে দিয়ে ঢাকনা দিন এবং ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন।
এখন বাকি অর্ধেক দুধ পাউরুটির উপর ছড়িয়ে দিন এবং বাদাম ছিটিয়ে সাজান।
আপনার শাহী টুকরা পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।
উপকরণ:
দুধ ১ লিটার, চিনি ২০০ গ্রাম, ফুডকালার সামান্য (ইচ্ছা হলে),
দইয়ের বীজ (আগের দই) ২ টেবিল-চামচ, মাটির হাঁড়ি একটি।
প্রণালি:
দুধে ১ কাপ পানি মিশিয়ে মাঝারি আঁচে জ্বাল দিতে হবে।
১ লিটার দুধ জ্বাল দিয়ে ৭৫০ মিলিলিটার হলে দই ভালো হয়।
মিষ্টি দইয়ের ক্ষেত্রে চিনি দিয়ে দুধ মাঝেমধ্যে নাড়তে হবে।
দুধ ঘন হলে চুলা থেকে নামিয়েও নাড়তে হবে।
কিছুটা ঠান্ডা হলে মাটির হাঁড়িতে ঢেলে দইয়ের বীজ দিয়ে নেড়ে ঢেকে দিতে হবে।
পাঁচ-ছয় ঘণ্টা পর দই জমে যাবে। ঠান্ডা হওয়ার জন্য ফ্রিজে তুলে রাখুন ঘরে পাতা মিষ্টি দই।
কিশমিশ দিয়ে পরিবেশন করা যায় ডেজার্ট হিসেবে।
উপকরণ:
মাঝারি সাইজের গাজর ২টি, পোলাওয়ের চাল আধা কেজি, দুধ ২
লিটার, কনডেন্সড মিল্ক ১ টিন, দারচিনি ৬ টুকরা, এলাচ ৪টি,
গোলাপ পানি ১ টেবিল চামচ, জাফরান আধা চা চামচ, কিশমিশ ২
টেবিল চামচ, পেস্তাবাদাম কুচি ৪ টেবিল চামচ, মাওয়া গুঁড়া ২
টেবিল চামচ।
প্রণালি:
গাজর সবজি করুনিতে ঝুরি করে নিতে হবে। জাফরান গোলাপ
পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। পোলাওয়ের চাল ধুয়ে পানিতে ভিজিয়ে
রেখে কিছুক্ষণ পর পানি ঝরিয়ে কচলে চাল আধাভাঙা করতে হবে।
দুধ ও চাল একসঙ্গে চুলায় দিতে হবে। ফুটে উঠলে গাজর দিতে
হবে।
এলাচ, দারচিনি দিতে হবে। চাল ও গাজর সেদ্ধ হয়ে পায়েস ঘন হয়ে
এলে কনডেন্সড মিল্ক দিতে হবে। গোলাপ পানিতে ভেজানো জাফরান
দিতে হবে। কিশমিশ ও কিছু পেস্তাবাদাম কুচি দিয়ে নামাতে হবে।
পরিবেশন পাত্রে গাজরের পায়েস ঢেলে পেস্তাবাদাম কুচি, মাওয়া গুঁড়া
ছিটিয়ে ঠান্ডা করে ফ্রিজে রাখতে হবে।
উপকরণ:
গাজর আধা কেজি,পোলাওয়ের চাল আধা কাপ,দুধ ২ লিটার, কন
ডেন্সড মিল্ক ১ টিন,দারচিনি ৬ টুকরা,এলাচ ৪টি,ফুলকপি আধা কাপ,
চিনি আধা কাপ,গোলাপ পানি ১ টেবিল-চামচ,জাফরান আধা চা-চামচ,
কিশমিশ ২ টেবিল-চামচ,পেস্তাবাদাম কুচি ৪ টেবিল-চামচ,মাওয়া গুঁড়া ২ টেবিল-চামচ।
প্রণালি:
গাজর সবজি কুরুনিতে ঝুরি করে নিতে হবে।জাফরান গোলাপ পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে।
পোলাওয়ের চাল ধুয়ে পানিতে ভিজিয়ে রেখে কিছুক্ষণ পর পানি ঝরিয়ে কচলে নিয়ে চাল আধা ভাঙা করতে হবে।
দুধ ও চাল একসঙ্গে চুলায় দিতে হবে। ফুটে উঠলে গাজর ও ফুলকপি দিতে হবে। এরপর এলাচ, দারচিনি দিতে হবে।
চাল ও গাজর সেদ্ধ হয়ে পায়েস ঘন হয়ে এলে কনডেন্সড মিল্ক দিতে হবে। এরপর গোলাপ পানিতে ভেজানো জাফরান দিতে হবে।
কিশমিশ ও কিছু পেস্তাবাদাম কুচি দিয়ে নামাতে হবে। পরিবেশনপাত্রে গাজরের পায়েস ঢেলে পেস্তাবাদাম কুচি, মাওয়া গুঁড়া ছিটিয়ে দিয়ে ঠান্ডা করে ফ্রিজে রাখতে হবে।